Homeজীবন শৈলীThe science behind Tickling: সুড়সুড়ি বা কাতুকুতু দিলে কেন হাসি পায় জানেন?

The science behind Tickling: সুড়সুড়ি বা কাতুকুতু দিলে কেন হাসি পায় জানেন?

Outlinebangla: কাউকে খুব সহজে হাসানোর অন্যতম মাধ্যম হল সুড়সুড়ি বা কাতুকুতু। মনে করুন অবসর সময়ে কয়েকজন বন্ধু মিলে আড্ডা দিচ্ছেন। আপনাদের মধ্যে একজন হয়তো কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তিত। আপনারা তাকে হাসাতে চান, কিন্তু হাস্যরসাত্মক কথা বা কৌতুকে তাঁর হাসি আসছে না। ওই সময় তাঁকে হাসানোর একটাই অস্ত্র, তা হল সুড়সুড়ি বা কাতুকুতু (The science behind Tickling)। আচ্ছা কখনো ভেবে দেখেছেন, কাউকে সুড়সুড়ি বা কাতুকুতু দিলে হাসি পায় কেনো? আবার মজার বিষয় হল অন্য কেউ সুড়সুড়ি দিলে যতটা কাতুকুতুর মজা লাগে। নিজে নিজে দিলে কিছুই মনে হয় না। বা শরীরের নির্দিষ্ট কিছু জায়গাতে এমন অনুভূতি হয় কেনো? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা? (The science behind Tickling)

আন্ডার আর্ম, পায়ের পাতা ও পেটের মতো স্থানে আঙুল চালালে বা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে স্পর্শ করলে যে গভীর সংবেদনশীলতা সৃষ্টি হয়, তা হচ্ছে গার্গেলিসিস টিকল। তখন আমরা হাসি। আমাদের ত্বকের নিচে স্নায়ু কোষ রয়েছে। যা আমাদের মস্তিষ্কে তাপ, ঠাণ্ডা থেকে শুরু করে সমস্ত ধরণের স্পর্শ সম্পর্কে সচেতন করে (The science behind Tickling)। বাইরের ত্বক হালকা স্পর্শ পেলে ত্বকের নিচে নার্ভের শেষ অংশ উদ্দীপ্ত হয়। এবং ওই উদ্দীপনা আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়ুতন্ত্রে সংকেত পাঠায়।

গবেষকরা ফাংশনাল রিজোন্যান্স ইমেজিং মেশিন (FMRI) ব্যবহার করে জানিয়েছেন, মস্তিষ্কের দু’টি অঞ্চল সুড়সুড়ি অনুভূতি তৈরি করে। দুটি অঞ্চল হল-
১) সোমাটোসেনসরি কর্টেক্স (Primary somatosensory cortex)।
২) অ্যান্টেরিওর সিঙ্গুলেটেড কর্টেক্স (Anterior cingulate cortex)।
মস্তিষ্কের এই দুটি অঞ্চলের যৌথ বিশ্লেষণের কারণে একসাথে কাজ করে। সোমাটোসেন্সরি কর্টেক্স: এটি মস্তিষ্কের সেই অঞ্চল যা স্পর্শ এবং এর সাথে সম্পর্কিত চাপ বিশ্লেষণের জন্য দায়ী। অ্যান্টিরিওস সিঙ্গুলেট কর্টেক্স: মস্তিষ্কের এই অঞ্চলটি আনন্দদায়ক অনুভূতি পরিচালনা করে, যা হাসির কারণ হয়। সুড়সুড়ির সংবেদন হালকা স্পর্শের কারণে হয়, যদি কোনো ব্যাক্তিকে খুব জোরে সুড়সুড়ি দেওয়া হয়, তাহলে অ্যান্টিরিওস সিঙ্গুলেটেড কর্টেক্স এটিকে হাসির পরিবর্তে ব্যথা হিসাবে নিবন্ধিত করে। তাই ওই সময় হাসে না।

আরও পড়ুনঃ Depression: ডিপ্রেশন! একটা ছোট শব্দ, যা নিঃশব্দে কেড়ে নিচ্ছে বহু মানুষের প্রান

এই মুহূর্তে