HomeবিবিধMahalaya: পিতৃপক্ষের শেষক্ষণ ও মাতৃপক্ষের সূচনা, রইল মহালয়া সম্পর্কিত কিছু তথ্য

Mahalaya: পিতৃপক্ষের শেষক্ষণ ও মাতৃপক্ষের সূচনা, রইল মহালয়া সম্পর্কিত কিছু তথ্য

Outlinebangla Digital Desk: পুজোর (Durga Puja) কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গেছে। চারিদিকে পুজো পুজো গন্ধ। শরতের ভোর, কাশফুল নিজ ছন্দে বাতাসে দোল খাওয়া, শিউলি ফুল, ঘাসের ডগায় শিশিরের বিন্দু জানান দিচ্ছে দেবী দুর্গা আসছেন মর্ত্যলোকে। পিতৃপক্ষের শেষক্ষণ ও মাতৃপক্ষের সূচনাতেই মহালয়া (Mahalaya)। মহালয়ার গুরুত্ব হিন্দু ধর্মে অনেক। মহালয়া শব্দটির অর্থ হল মহান আলয়। এক্ষেত্রে দেবী দুর্গাই হচ্ছেন সেই মহান আলয়। মনে করা হয় এই দিন থেকেই শুরু হয় দুর্গাপুজোর সূচনা। মহালয়ার দিন সকালে পিতৃ পুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় তর্পণ করার রীতি প্রচালিত আছে। এদিন দেবী দুর্গার চক্ষুদান হয়।

পূরাণে কথিত রয়েছে, ব্রহ্মার বরে মহিষাসুর অমর হয়ে উঠেছিল। শুধুমাত্র কোনও নারীশক্তির কাছেই তার পরাজয় নিশ্চিত ছিল। ব্রহ্মার কাছ থেকে অমরত্বের বর পেয়ে দেবতাদের উপর মহিষাসুরের তান্ডব বাড়তে থাকে। । তখনই তাকে বধ করার জন্য এক নারীশক্তির জন্ম দেন ত্রিশক্তি ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশ্বর। আর তিনিই দেবী দুর্গা। দশ হাতে দশ অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধ করে মহিষাসুরকে বধ করেন দেবী দুর্গা।

ওই দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের সুরে ‘আশ্বিনের শারদপ্রাতে বেজে উঠেছে আলোক মঞ্জীর, ধরণীর বহিরাকাশে অন্তরিত মেঘমালা, প্রকৃতির অন্তরাকাশে জাগরিত জ্যোতির্ময়ী জগন্মাতার আগমন বার্তা।’ শুনে ঘুম ভাঙে বাঙালির৷ এককথায় বলা চলে মহালয়ার সঙ্গে বীরেন্দ্রকৃষ্ণের সুর অতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। মহালয়ার ৬ দিন পর থেকেই শুরু হয় বাঙালির প্রাণের পুজো। তাই প্রত্যেক বছরের মতো এবছরও মহালয়া নিয়ে আবেগপ্লুত বাঙালি৷

এই মুহূর্তে