Homeস্বাস্থ্যরিলেশনপরকীয়া থেকে বেরিয়ে সুখী দাম্পত্য জীবনে ফিরতে চান? রইল এক মুঠো টিপস

পরকীয়া থেকে বেরিয়ে সুখী দাম্পত্য জীবনে ফিরতে চান? রইল এক মুঠো টিপস

আউটলাইন বাংলা ডিজিটাল ডেস্কঃ প্রত্যেকেই চাই তাঁর দাম্পত্য জীবন অতন্ত্য সুখের হোক। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দাম্পত্য জীবনে তৃতীয় ব্যাক্তির আগমনের ফলে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। আবার এই তৃতীয় ব্যাক্তির সাথে ঘনিষ্ঠতাও বাড়ে, এবং নতুন সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু এই সম্পর্ক গুলিতে সাময়িক মানসিক ও শারীরিক সুখ পেলেও, এক সময় এই সম্পর্কেও মাথা ব্যাথার কারন হয়ে উঠতে পারে। দাম্পত্য জীবনে এই ধরনের সম্পর্ক থেকে খুব সহজেই বেড়িয়ে আসা যায় না। অনেকেই হয়তো এই সম্পর্ক থেকে বেড়িয়ে এসে দাম্পত্য জীবনে ফেরার চেষ্টা করছেন। কিন্তু কিছুতেই বেড়িয়ে আসতে পারছেন না। আমাদের এই প্রতিবেদনে সুখি দাম্পত্য জীবনে ফেরার জন্য রইল বিশেষ কিছু টিপস। একনজরে দেখে নিন।

(১)

সম্পর্কে তৃতীয় ব্যাক্তির আগমন তখনই ঘটে, যখন দাম্পত্য জীবনে বিশেষ কোনও সমস্যা দেখা দেয়। তাই কেন সম্পর্কে জড়িয়েছেন তার কারন ব্যাক্ষা করুন। এবং দু-জনের আলোচনার মাধ্যমে পুরো বিষয়টি মিটিয়ে নিন।

(২)

দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী বা স্বামী যে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, মূলত তাঁকেই দোষী করা হয়। দোষী মন্তব্যের জন্য সুখি দাম্পত্য জীবনে কখনই ফিরতে পারবেন না। তাই কেন পরকীয়াতে জড়িয়েছিলেন সেটা জানার চেষ্টা করুন এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে সব বিষয়টি মিটিয়ে নিন।

(৩)

পরকীয়ায় জড়ানোর কথাটা জীবনসঙ্গীকে কি জানাবেন? নিশ্চয় ভাবছেন এই সম্পর্কের কথা জানালে সাংসারিক অশান্তিটা আরও বাড়বে। তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন, নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া থাকলে বিষয়টি জীবনসঙ্গীকে খুলে বলুন। ঠিক হয়ে যাবে। ভেবে দেখুন অন্য কোনো ব্যাক্তির থেকে যদি পরকিয়ার বিষয় জানতে পারে তাহলে কতটা ভয়ঙ্কর রুপ নিতে পারে।

(৪)

যদি ভাবেন পরকিয়া থেকে বেড়িয়ে আসবেন, তাহলে অবশ্যই সেই ব্যক্তি বা মহিলাকে জানিয়ে দিন এবং সম্পূর্ণ ভাবে বেড়িয়ে আসুন। তবে হ্যাঁ পরবর্তী সময়ে আবেগ প্রবণ হয়ে কোনো রকম যোগাযোগ রাখার চেষ্টা না করাই ভালো। তাই নিজ কাজে ও সাংসারিক জীবনে মন দিন।

(৫)

তবে পরকীয়া সম্পর্ক থেকে বেড়িয়ে আসার পরেও জীবনসঙ্গির প্রতি সেভাবে বিশ্বাসটা ফেরে না। তাই সন্দেহ থেকেই যায়। তাই স্ত্রী বা স্বামী বিশেষ বিশেষ দিনে নানা ধরনের সারপ্রাইজ দিক। এবং বুদ্ধিমত্তার সাথে সঙ্গিকে ভালবাসায় ভরিয়ে দিতে হবে। ফলে ধীরে ধীরে একে অপরের প্রতি বিশ্বাস আসবে।

এই মুহূর্তে