Homeবিবিধমে মাসে দৈনিক মৃত্যু পেরোতে পারে ৫০০০, ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

মে মাসে দৈনিক মৃত্যু পেরোতে পারে ৫০০০, ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

আউটলাইন বাংলা ডিজিটাল ডেস্কঃ করোনা পরিস্থিতিতে বিধ্বস্ত ভারত। ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘন্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩২ হাজার মানুষ। করোনা আক্রান্তের নিরিখে আমেরিকাকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ভারত। একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ২,২৬৩ জন। এর পাশাপাশি অক্সিজেনের চরম সঙ্কট। অক্সিজেনের অভাবে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মারা যাচ্ছে বহু লোক। ভেঙে পড়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। তবে এতেই শেষ নয়। গবেষকদের মতে, মে মাসে আরও খারাপ দিন আসতে চলেছে ভারতে।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। যার ফলে মৃতদেহ সৎকারের জন্য শ্মশানের বাইরে লম্বা লাইন পড়ছে। এমনকি শেষ সময়ে প্রিয় মানুষের সাথে দেখা করার সুযোগ থাকছে না বাড়ীর লোকের। রয়টার্সের ক্যামেরায় বন্দি হয়েছে এক দৃশ্য, যেখানে দেখা যাচ্ছে রাজধানীর এক এলাকায় গণচিতা জ্বলছে। দিল্লির সীমাপুরীর এক বাসিন্দা নিতিশ কুমার জানান, তাঁর মা কোভিড আক্রান্ত হয়ে মারা যান। কিন্তু মায়ের মরদেহ দাহ করার মত জায়গা পান নি কোনো শ্মশানে। ফলে বাড়িতেই দুদিন রেখে দিতে হয় মায়ের মরদেহকে। শেষপর্যন্ত এক পার্কিং লটে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শ্মশানে মাকে দাহ করতে হয়।

স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘শহিদ ভগৎ সিং সেবাদল’-এর প্রধান জিতেন্দ্র সিংহ শান্তি জানান, গত বছরের তুলনায় এই বছর মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন,“দিল্লির কেউ কোনওদিন এই দৃশ্য দেখেনি। পাঁচ বছরের শিশুর অন্ত্যেষ্টি হচ্ছে। ১৫ বছরের বাচ্চা, ২৫ বছরের তরুণ পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। নবদম্পতির একসঙ্গে সৎকার হচ্ছে। এসব দেখা খুব কঠিন,।” তবে শুধু দিল্লি নয়, দেশজুড়ে জ্বলছে গণচিতা। কানপুরের ভৈরবঘাট শ্মশানে জ্বলছে সারি সারি চিতা। ভোপালেও একই অবস্থা। উত্তরপ্রদেশের করোনা রোগীর মৃতদেহ শেষকৃত্য করা হচ্ছে বারাণসীর মনিকর্ণিকা ঘাটে

এই মুহূর্তে