HomeবিদেশWell of Hell:ইয়েমেনের নরকের কূপে প্রথমবার পা রাখলেন গুহাবিদরা

Well of Hell:ইয়েমেনের নরকের কূপে প্রথমবার পা রাখলেন গুহাবিদরা

Outlinebangla Desk:প্রকৃতিকে ঘিরে এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা রহস্যে পরিপূর্ণ। কিছু রহস্য মানুষ সমাধান করতে পারলেও, অনেক রহস্য আছে যা আজ পর্যন্ত সমাধান করা যায়নি। ইয়েমেনের আল-মাহার প্রদেশের একটি মরুভূমিতে অবস্থিত জলহীন বিশাল একটি কূপ। নাম বারহুট কূপ। তবে সাধারণ মানুষের কাছে এই কূপটি ‘নরকের দরজা’ বা ‘ওয়েল অফ হেল’ নামেই পরিচিত।কূপটির গভীরতা ৩৬৭ ফুট। চওড়ায় প্রায় ১০০ ফুট।

এই কূপকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা ভুল ধারণা। অনেকেই এই কূপকে ‘জিনদের কারাগার’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এমনকি এও বলা হয় কূপে আছে দুষ্টু জিন। সেখানে একবার ঢুকলে আর বেঁচে ফেরা যায় না। এতদিন পর্যন্ত এই কূপের রহস্য উদঘাটন হয়ে ওঠেনি। কিন্তু অজানাকে জানার ইচ্ছে মানুষের বহুদিনের। সেই টানে সম্প্রতি ওমানের ১০ গুহাবিদের দল বারহুট কূপে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৮ জন কূপের ভিতরে প্রবেশ করেছিলেন এবং বাকি ২ জন বাইরে অপেক্ষা করছিলেন।সম্ভবত প্রথমবার কোনো মানুষ এই কূপে নামলেন। প্রথমবার নেমেই যা দেখলেন তারা, তাতে সবাই প্রায় অবাক।

গুহা বিশেষজ্ঞরা বারহুটের তলদেশে পৌঁছে অদ্ভুদ একটা গন্ধ পেয়েছেন। গন্ধটা পেয়ে তাদের মনে হয়েছে কোন মৃত প্রাণীর গন্ধ। তবে সেই গন্ধের রহস্য সঠিকভাবে সমাধান এখনও করা হয়নি। গুহার নিচে বৃষ্টির জলের ক্যালসিয়াম থেকে তৈরি হওয়া এক ধরনের পাথর দেখা গেছে। যেগুলি ‘কেভ পার্ল’ বা ‘গুহা-মুক্তা’ নামে পরিচিত।এছাড়া সেখানে প্রচুর সংখ্যক সাপ পাওয়া গেছে। তবে কোন ভূত বা জিনের অস্তিত্ব লক্ষ্য করেননি বিশেষজ্ঞরা। গুহাবিদদের কথায়, এই ধরনের গহ্বরকে সিঙ্কহোল বলে।

এই মুহূর্তে