নিজেকে একটু বাঁশ দিন আর সব জটিলতা কাটিয়ে উঠুন

benefits of bamboo tree at home
Image Source: Google

আউটলাইন বাংলা ডেস্কঃ বাঁশ নিয়ে আমরা খুবই সংবেদনশীল। তবে সেটা বাঁশ নেওয়ার বেলায়, বাঁশ  দেওয়ার বেলায় কিন্তু এই সংবেদনশীলতা থাকে না। এবার ভাবুন আপনি নিজেকেই বাঁশ দিচ্ছেন আর তাতে আপনার জীবনের অনেক জটিলতা কেটে যাচ্ছে। এও কি হয়? হয়। প্রাচীন চৈনিক বাস্তুশাস্ত্র  বলছে বাঁশগাছ শুভশক্তির প্রতীক। চিনাদের বাড়ির বাগানে বাঁশগাছ লাগানো অতি সাধারণ ব্যাপার। বাড়ির ভিতরে বাঁশগাছ লাগালে তা অশুভ শক্তিকে প্রতিহত করে, জীবনে স্থিতিশীলতা নিয়ে আসে।

বাড়ির ভিতরে ছোট পাত্রে লাকি বাম্বু লাগানোর চল আছে এদেশেও।

১। চৈনিক বাস্তুসম্মত পঞ্চভূতকে বাঁশ গাছ একত্র করে। লাকি বাম্বু  জলে রাখা হয়, মাটিতে এই গাছ পোঁতা হয়, গাছ নিজেই কাঠ, কাচের পাত্রে এই গাছকে রাখা হয়, কাচ চৈনিক বাস্তু মতে ধাতু। আর এর গায়ে যে লাল রিবন বাঁধা হয়, তা অগ্নির প্রতীক। এই পাঁচ এলিমেন্টের সহাবস্থান জীবনে স্থিতি ও ভারসাম্য নিয়ে আসে বলেই বিশ্বাসকরে চীনারা।

২। কচি বাঁশগাছের সবুজ রং দৃষ্টিশক্তিকে সতেজ রাখে। স্নায়ুতন্ত্রকে স্নিগ্ধতা দেয়। চিকিৎসকদের মতে, সেরিব্রাল কর্টেক্স ও রেটিনার পক্ষে এই রং অতি উপকারী।

৩। মনে রাখা প্রয়োজন, বাঁশ গাছও গাছ। অন্য গাছের মতোই তা অক্সিজেন ত্যাগ করে। ঘরের বাতাস শুদ্ধ হয়।

৪। চিনা ঐতিহ্য মনে করে, ভিতরে ফাঁপা ও বাইরে শক্ত এই গাছ নেগেটিভ এনার্জিকে প্রতিহত করে। ৩৫-১২০ বছরে বাঁশগাছে ফুল আসে। এই ফুল সৌভাগ্যের প্রতীক।

৫। সর্বোপরি রয়েছে বাঁশগাছের সৌন্দর্য। ঋতু অনুযায়ী এর রং বদল ঘরের একঘেয়েমি দূর করে। বাসিন্দার মনকে সতেজ রাখে।

তাই লোককে বাঁশ না দিয়ে নিজেকে একটু বাঁশ দিন আর ভাল থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here