রামপুরহাটে হাত শক্ত কংগ্রেসের নির্বাচনের আগে বিভিন্ন দল ছেড়ে যুক্ত হলেন ১৫০ জন

150 people left different parties and joined the Congress
নির্বাচনের আগে বিভিন্ন দল ছেড়ে যুক্ত হলেন ১৫০ জন

রিন্টু পাঁজা, রামপুরহাট: সামনেই একুশের বিধানসভা নির্বাচন। বিধানসভায় নির্বাচন কে কেন্দ্র করে সমস্ত দলই প্রচারে নেমে পড়েছে, এইতিমধ্যেই অন্যান্য রাজনৈতিক দল প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করলেও কংগ্রেস এখনো প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেনি বীরভূম জেলায়। তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপির পাশাপাশি বাম কংগ্রেস প্রচারে নেমেছে জোড় কদমে।

রবিবার বীরভূম জেলার রামপুরহাটের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করলেন বীরভূম জেলা কংগ্রেসের সভাপতি তথা হাঁসন কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক মিল্টন রশিদ। উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা কংগ্রেসের সহসভাপতি আমল সেখ, বীরভূম জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মিল্টন রশিদ, রামপুরহাট শহর কংগ্রেসের সভাপতি শাহাজাদা হোসেন কিনু সহ কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃত্ব। এদিন উদ্বোধনের মুহূর্তে বিভিন্ন দল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগদান করলেন প্রায় ১৫০জন যুবক।

উদ্বোধনের শেষে সাংবাদিক বৈঠক করেন বীরভূম জেলা সভাপতি তথা হাঁসন কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক মিল্টন রশিদ তিনি বলেন ” আজকে রামপুরহাট শহরে এই নতুন পার্টি অফিসের দ্বারোদ্ঘাটন করা হলো। ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পার্টি অফিস হলেও আমরা রামপুরহাট শহর কংগ্রেস এই পার্টি অফিস ব্যবহার করবে। পার্টি অফিস উদ্বোধন হতেই তৃণমূল এবং বিজেপি ছেড়ে বেশ কয়েকজন যুবক আজ কংগ্রেসে যোগদান করলেন।

সামনে ভোট আছে, ভোটে আমাদের জোট হয়েছে। বীরভূম জেলায় ১১ টি সিটে আমাদের ক্যান্ডিডেট কোথাও বামফ্রন্ট কোথাও ফরওয়ার্ড ব্লক কোথাও কংগ্রেস, আমরা নিজেরা জানব কংগ্রেস টাও আমাদের, বামফ্রন্ট টাও আমাদের, ফরওয়ার্ড ব্লক টাও আমাদের, কারণ এবার আমাদের জোটের লড়াই হচ্ছে মমতা ব্যানার্জিকে আটকানোর লড়াই এবং বিজেপিকে আটকানোর লড়াই তার জন্য।

তিনি আরো বলেন, “বীরভূম জেলায় তৃণমূল পার্টির প্রথম সারির প্রায় ৫ জন নেতা এবং তৃণমূল পার্টির দুই থেকে তিন জন বিধায়ক প্রত্যেক দিন আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন। আশা করছি আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে বীরভূম জেলার তৃণমূল পার্টির কিছু বিধায়ক কংগ্রেসে যোগদান করবেন।“