Homeরঙ্গমঞ্চSinger KK: জিঙ্গল গেয়েই বলিউডে প্রবেশ, কেকে-র আশ্চর্যময় এক জীবনের গল্প

Singer KK: জিঙ্গল গেয়েই বলিউডে প্রবেশ, কেকে-র আশ্চর্যময় এক জীবনের গল্প

Outlinebangla Digital Desk: ভারতীয় সঙ্গীত জগতের অন্যতম তারকা কেকে (Singer KK) ওরফে কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ (Krishnakumar Kunnath) চলে গেলেন না ফেরার দেশে। গতকাল কলকাতার মঞ্চেই বিদায় নিলেন তিনি। মানুষটা শেষ সময়েও মঞ্চে ছাড়েননি। এক নজর দেখে নিন কেকে-র বাস্তব জীবনের কিছু গল্প.

কেকে (Singer KK) পুরো নাম কৃষ্ণকুমার কুন্নথ (Krishnakumar Kunnath)। বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৩ বছর। জন্ম ২৩ আগস্ট ১৯৬৮ সালে। বাবা সি এস নায়ার এবং মা কুনাথ কনকাবলী। প্রথম দিকে চলার পথ খুব একটা মসৃণ ছিল না তাঁর। কেকে-র (Singer KK) সঙ্গীতের প্রতি ভালবাসা জন্মায় তাঁর মাকে দেখে। মায়ের গুন গুন করে গেয়ে চলা গান শুনে নিজে নিজে গান গাওয়ার চেষ্টা করতেন। তিনি কিশোর কুমার দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। মাইকেল জ্যাকসনের বড় ভক্ত ছিলেন। কেকে প্রথমবার স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে গান করার সুযোগ পান। ওই দিন মঞ্চে উঠে গেয়েছিলেন ‘রাজা রানি’ সিনেমার ‘যব আন্ধেরা হোতা হ্যায়’ (Jab Andhera Hota Hai)। ওই দিন গান গাওয়ার আশীর্বাদ স্বরুপ তিনি পেয়েছিলেন শিক্ষকদের স্ট্যান্ডিং ওভেশন সঙ্গে অগণিত করতালি।

তারকা হওয়ার স্বপ্ন হারাতে বসেছিলেন কেকে

কলেজ জীবন শেষ করে ১৯৯১ সালে স্কুলজীবনের প্রেমিকা জ্যোতিকে বিবাহ, সংসারের ভার গ্রহণ। তাঁকে ভাবিয়ে তুলেছিল। পরিস্থিতি সামলাতে তিনি মার্কেটিংয়ের কাজ করেছেন। এক সময় তারকা হওয়ার স্বপ্ন হারাতে বসেছিলেন কেকে (Singer KK)। ঠিক এমন সময় পাশে পান তাঁর স্ত্রী এবং বাবাকে। তাঁদের পাশে পেতেই একটি কি-বোর্ড কিনে শুরু হয় গানের অনুশীলন। তবে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে গানের জগতে পা রাখার আগে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিজ্ঞাপনের জিঙ্গল গেয়েছেন তিনি। আর এই কেকের গাওয়া জিঙ্গেলই মুগ্ধ হয় খোদ এআর রহমান।

প্রথম প্লে ব্যাকের সুযোগ

প্রথম প্লে ব্যাকের সুযোগ পান এ আর রহমানের সঙ্গে (A. R. Rahman)। গানটি ছিল ‘ছোড় আয়ে হাম উও গঁলিয়া’ (Chhod Aaye Hum Woh Galiyan)। ১৯৯৯ সালে ‘হম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমার বিখ্যাত গান ‘তড়প তড়প কে ইস দিল সে..গান রাতা রাতি মুখে মুখে ছড়িয়ে পরে। তবে তাঁর জয়যাত্রা শুরু হয় অ্যালবাম ‘পল’ মুক্তি পাওয়ার পর। যার গান ‘হম, রহে ইয়া না রহে কাল… কাল, ইয়াদ আয়েঙ্গে ইয়ে পল (Yaad Ayenge Yeh Pal)। নব্বইয়ের দশকের এই গান তাঁকে খ্যাতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল, পেয়েছিল অন্য এক পরিচয়। ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপে ভারতীয় ক্রিকেট দলের সমর্থনের জন্য “জোশ অব ইন্ডিয়া” গানটি গেয়ে সকলের নজর এসেছিলন। ভারতীয় চলচ্চিত্রর অন্যতম বহুমুখী গায়ক ছিলেন কেকে। তিনি শুধু হিন্দিই না, তামিল, তেলেগু, কন্নড় এবং বাংলা সহ বেশ কয়েকটি ভাষায় গান রেকর্ড করেছেন। কেকের অকস্মাৎ প্রয়াণে (Singer KK death) ভাষাহীন কোটি কোটি সঙ্গীতপ্রেমী।

আরও পড়ুন: Healthy Heart: হৃদয় ভাল রাখবেন যেভাবে

এই মুহূর্তে